শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ইনানীতে গ্যাসের সঙ্গে তেলও বেরিয়ে আসছে, আরও ১৫ দিন জ্বলবে আগুন-বাপেক্স ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু ইনানীতে ২ দিন ধরে জ্বলছে নলকূপ থেকে ওঠা গ্যাসের আগুন: ২২ কিলোমিটার এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সাংবাদিক আবদুল আজিজের পিতার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী আজ ইনানীতে গভীর নলকূপ খননের সময় নির্গমন গ্যাসের আগুন: আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ছেলের হাতে বাবা খুন ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে রূপ নিয়েছে গভীর নিম্নচাপটি সেন্টমার্টিন ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খোলা প্রতিপক্ষ ফুটবলারের ওপর রাগ কমছে না নেইমারের, পাল্টা বক্তব্য নেস্তরের রামুর রশিদ নগর ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার: চুরির ৯৬ লাখ টাকা ভাগ নেওয়ার অভিযোগ

ভারী বর্ষণে বড় মহেশখালীর ৭০ পরিবার পানির নিচে

এম. বশির উল্লাহ, মহেশখালী:
মহেশখালীতে অতি বৃষ্টির কারণে বড়মহেশখালী ইউনিয়নের ফকিরাকাটা গ্রামের প্রায় ৭০টি ঘর পানিতে ডুবে গেছে। এতে করে প্রতিটি ঘরের আসবাবপত্র, ব্যবহৃত ইলেক্ট্রিক যন্ত্রপাতি সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে যায়।  আর প্রায় বাড়ির নলকুপ, টয়লেট পানিতে ডুবে থাকায় নানান অসুবিধে সহ খাবার পানির সংকটে ভুগছে তারা। এছাড়াও মাটির ঘরের দেয়াল ধসের আশংকায় অনেকে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করছে। গবাদিপশু ও হাসমুরগি নিয়ে আছে চরম বিপাকে। ইতিমধ্যে পানিতে ডুবে হাসমুরগি ও গবাদিপশুর মৃত্যু হয়েছে।
জানা যায়, মহেশখালীর পশ্চিমের বেড়িবাধের সুইচ গেট দিয়ে পর্যাপ্ত পানি বের না হওয়ায় মুলত গ্রামটি ডুবে যায়। সুইচ গেইটের বাঁধটি কেটে দিলে পানি নেমে যাবে বলে এলাকাবাসী জানান। প্রতি বছর বর্ষাতেই সুইচ গেইটের কারণে গ্রামটি প্লাবিত হয়।
ইসহাক, রবিউল আলম, মোস্তাক, শাহজান, সিরাজুল হক সহ ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামবাসীরা জানান, গতকাল থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণের কারণে গ্রামে পানি জমতে থাকে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পানি এই গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়। খাল ভরাট ও পশ্চিমের বেড়িবাধের সুইচ গেট দিয়ে পর্যাপ্ত পরিমানে পানি বের হতে না পারায় গ্রামটি ডুবে যায়। যাতে করে গ্রামবাসীদের অপূরণীয় ক্ষতি হয় বলে তারা জানান। তারা আরো জানান, বর্তমানে গ্রামের ৫০টির অধিক পরিবার অন্যত্র বসবাস করছে। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে টানা বৃষ্টিতে গ্রামটি তলিয়ে যায়। এতে করে বিলের ক্ষেত খামার নষ্ট হয়ে যায়। তাই এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সহযোগীতা কামনা করেছেন তারা।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জামিরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি শুনেছেন,  তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে আশ্বাস দেন। অতিবৃষ্টির ফলে নিচু এলাকার মানুষদের সহযোগিতার জন্য উধর্তন কতৃপক্ষকে  অবহিত করা হবে বলেও জানান।
এদিকে উপজেলার প্রায় নিচু এলাকা বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়েছে বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি রা জানান।
ভয়েস/ আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION